রবিবার,৩০শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ


ভারত থেকে আমদানিকৃত মোটা চালের দাম কমেছে


পূর্বাশা বিডি ২৪.কম :
২৪.০৮.২০১৭

পূর্বাশা ডেস্ক:

দুই দফায় শুল্ক কমানো এবং ভারত থেকে আমদানি বাড়ায় প্রতি কেজিতে মোটা চালের দাম কমেছে ৮-১০ টাকা। তবে পাইকারী ব্যবসায়ীদের অভিযোগ দেশীয় চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে মিলাররা।
সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত উৎপাদনের কথা বলা হলেও গেলো বছর থেকেই লাগামহীনভাবে বাড়তে শুরু করেছে চালের দাম। আর চলতি বছরে দাম বৃদ্ধির এই গতি আরও বেগ পেয়েছে। দুই থেকে আড়াই বছর আগেও যে মোটা চাল পাওয়া গেছে ৩০ টাকা কমে সেটি কয়েকদিন আগেও কিনতে হয়েছে ৪৮ টাকায়।

চালের দাম বাড়ার কারন হিসেবে ব্যবসায়ীরা জানান, অতিরিক্ত আমদানি শুল্কের কারনেই বেড়েছে চালের দাম।
বাজার স্থিতিশীল করতে গেলো বছর জুনে এই শুল্ক ১৮ শতাংশ কমিয়ে ১০ শতাংশ করে সরকার। প্রথম দফায় শুল্ক কমানোর পর ২০জুন থেকে জুলাই পর্যন্ত মোট চাল আমদানি হয়েছে আড়াই লাখ মেট্রিক টন। যার কারনে রাজস্ব আহরোন কম হয়েছে ১৩৫ কোটি টাকা। তবে এতে তেমন কোন পরিবর্তন না আসায় অবশেষে এই শুল্ক দুই শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। এর ফলে মোটা চালের আমদানি বাড়ায় এটি কেজিতে কমেছে ৮-১০ টাকা। তবে অন্য চালের দাম কিছুটা কমলেও সার্বিকভাবে সেগুলোর দামে তেমন কোন পরিবর্তন আসেনি।

এক ব্যবসায়ী জানান, ইন্ডিয়া থেকে যে চালটা আসে সেটার দামও কমে। কিন্তু বাংলাদেশীর কোন চালের দাম তেমনভাবে কমে না। কারন বাংলাদেশের চাল চিকন চাল আর চিকন চাল ইন্ডিয়া থেকে আসে না।

আমদানি করা চালের দাম কমলেও দেশের উৎপাদিত চালের দাম কমছে না বরং বাড়ছে। পাইকারী ব্যবসায়ীরা জানান, দেশীয় চালের দাম প্রতি বস্তাতেই বাড়িয়ে দিয়েছে মিলাররা। যার প্রভাব আমদানি করা চালের উপরও পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে গেলো কয়েকদিনে হিলি স্থল বন্দর দিয়ে চাল আমদানির পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানান, আগে দিনে গড়ে ৬০-৬৫ টি চালের ট্রাক প্রবেশ করলেও এখন প্রবেশ করছে আশিটি ট্রাক। তবে ভারতে বন্যার কারনে তুলনামূলকভাবে আমদানির গতি কিছুটা কম। আমদানিকারক ও মিলারা জানান, শুল্ক কমানোর ফলে খুব তাড়াতাড়ি কমে যাবে চালেন দাম।

পূর্বাশানিউজ/২৪আগষ্ট ২০১৭/রুমকী



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি