রবিবার,৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ


অনিশ্চিত গন্তব্যে বাংলাদেশ


পূর্বাশা বিডি ২৪.কম :
২৮.০২.২০১৫

vlcsnap-2015-02-28-08h44m20s87-copy1-400x339
বিশেষ প্রতিনিধি

চলমান সংকটে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল বা জোটের ভূমিকায় বাংলাদেশের গন্তব্য অনিশ্চিত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের আশঙ্কা এ অবস্থা চলতে থাকলে আরও একবার পিছিয়ে যেতে পারে দেশ। তারা মনে করেন, সহিংসতা কিংবা বাড়তি শক্তি দিয়ে সংকট সমাধান হবে না। বরং মাশুল দিতে হবে সাধারণ মানুষকে।

হরতাল-অবরোধ-সহিংসতা, মৃত্যু-ক্রসফায়ার আর গণগ্রেফতার টানা দু’মাস এর মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে বাংলাদেশের রাজনীতি। জনজীবনে গতি থাকলেও রয়েছে উদ্বগ-উৎকণ্ঠা। সংকট সমাধানে সংলাপের কথা উচ্চারিত হয়েছে বহুবার। কিন্তু একমত হয়নি বড় দুই রাজনৈতিক দল। বরং সংলাপের উদ্যোক্তাদের কারও কারও উদ্দেশ্য দারুণভাবে হয়েছে প্রশ্নবিদ্ধ। তাই আশার আলোর চেয়ে ছায়া বেশি রাজনীতিতে। পেট্রলবোমার বিপরীতে বেড়েছে কথিত বন্দুকযুদ্ধ। এ অবস্থায় বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে দুর্নীতি মামলায়। সেজন্য রাজনীতির গন্তব্য নিয়ে হতাশা বিশিষ্টজনদের।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, একেবারই অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে যাচ্ছি আমরা। শেষ পর্যন্ত এর পরিণতি কী হবে তা আন্দাজ করা যাচ্ছে না। সরকার জিতবে নাকি বিরোধী দল জিতবে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না। সন্ত্রাসী কর্মকা- করে যেমন লাভ হয় না তেমন দমন-পীড়নেও কোনো লাভ হয় না। তাই সন্ত্রাসী কর্মকা- এবং দমন-পীড়ন বন্ধ করতে হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ক্ষমতায় থাকার অনেক কৌশল আছে। কিন্তু আমি যে কৌশলই প্রয়োগ করি না কেন, একসময় আমাকে সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনে যেতেই হবে। আমাদের নিজেদের কারণেই আন্তর্জাতিক মহল হস্তক্ষেপের সুযোগ পাচ্ছে। আমরা নিজেরা যদি পরিস্থিতি শামাল দিতে পারতাম, তাহলে বিদেশিরা এ ধরনের কথা বলতে পারতো না।

সংকট কাটিয়ে দীর্ঘ মেয়াদী সমাধানের জন্য সবার ঐক্যমত দরকার। প্রয়োজন হলে সংবিধান সংশোধনের পরামর্শ দেন বিশ্লেষকরা।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি