শুক্রবার,১৪ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ


শিক্ষকদের আন্দোলন স্থগিত হতে পারে, বিকেলে জরুরি সভা


পূর্বাশা বিডি ২৪.কম :
১৯.০১.২০১৬

53285_117_333873-400x240
ডেস্ক রিপোর্টঃ

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের লাগাতার কর্মবিরতির অষ্টম দিন অতিবাহিতের পর আন্দোলন স্থগিতের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের এক দিন পর আজ মঙ্গলবার সভা ডেকেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন। বিকেল পাঁচটায় এ সভা হবে। সভা থেকে শিক্ষকদের আন্দোলন স্থগিতের বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে বলে মনে করছেন সংস্লিষ্টরা।

ফেডারেশনের মহাসচিব এ এস এম মাকসুদ কামাল জানিয়েছেন, মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটায় সভা করে তাঁরা তাঁদের অবস্থান জানাবেন।

প্রধানমন্ত্রী গতকাল বিকেলে অন্যান্য শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশাপাশি শিক্ষক নেতাদেরও গণভবনে পিঠা উৎসবে দাওয়াত দেন। সেখানে আন্দোলনরত শিক্ষক নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা শেষে দাবি পূরণের আশ্বাস দিয়ে আন্দোলনরত ৩৭টি সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী গতকাল বিকেলে অন্যান্য শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশাপাশি শিক্ষক নেতাদেরও গণভবনে পিঠা উৎসবে দাওয়াত দেন। সেখানেই একপর্যায়ে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, মহাসচিব এ এস এম মাকসুদ কামালসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আটজন শিক্ষকনেতার সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় দেড় ঘণ্টা বৈঠক চলে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, জনপ্রশাসনসচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী ও অর্থসচিব মাহবুব আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সোমবার জানিয়েছিলেন, শিক্ষকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকটি ফলপ্রসূ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা যাতে গ্রেড-৩ থেকে গ্রেড-১-এ যেতে পারেন, তার সোপান তৈরি করা হবে। অন্য দাবিগুলো পর্যালোচনা করে পূরণ করা হবে। শিক্ষকনেতারা জানিয়েছেন, নিজেদের ফোরামে আলোচনা করে শিগগির তাঁরা ক্লাসে ফিরে যাবেন।

নতুন বেতন স্কেলে গ্রেডের সমস্যা নিরসনের দাবিতে ফেডারেশনের ডাকে ১১ জানুয়ারি থেকে লাগাতার কর্মবিরতি পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের এক দিন আগে গত রোববার শিক্ষাসচিবের কাছে লিখিত প্রস্তাবও দেন শিক্ষকেরা। এতে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট অধ্যাপকের মধ্য থেকে ৫ শতাংশকে ডিস্টিংগুইশড (বিশিষ্ট বা সম্মানিত) অধ্যাপক করার প্রস্তাব দেন শিক্ষকেরা। এই পদের মূল বেতন হবে জ্যেষ্ঠ সচিবের সমান। একই সঙ্গে আগের মতো মোট অধ্যাপকের মধ্য থেকে ২৫ শতাংশকে গ্রেড-১ করাসহ কিছু বিকল্প প্রস্তাবও দিয়েছেন তাঁরা।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি