শনিবার,২৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ


পরিবেশ বাঁচাবে ডাস্টবিন, ডাস্টবিন বাঁচাবে কে?


পূর্বাশা বিডি ২৪.কম :
২৭.১০.২০১৬

images-50-550x367

পূর্বাশা ডেস্ক:

টাকা, গহনা, পুকুর নয়, এবার ডাস্টবিন চুরি! তিলোত্তমা ঢাকার পথে পথে হরহামেশাই ঘটছে এমন ঘটনা। ‘সরকারের মাল দরিয়ায় ঢাল’ প্রবাদটি যেন বাস্তবে পরিণত হয়েছে। দিনে দিনে উধাও হয়ে যাচ্ছে রাস্তার পাশের ডাস্টবিনগুলো। এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, পরিবেশ বাঁচাতে পারে ডাস্টবিন, ডাস্টবিন বাঁচাবে কে?

পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে প্রায় ৫ কোটি টাকা খরচে ঢাকার পথে পথে ৭ হাজার মিনি ডাস্টবিন স্থাপন করে দুই সিটি করপোরেশন। কিন্তু ছয় মাস না যেতেই চিত্র ভিন্ন। পরিবেশ বাঁচাতে স্থাপন করা ডাস্টবিনগুলো একে একে উধাও হয়ে যাচ্ছে। কোথাও কেবল ঢাকনা নেই, কোথাও আবার পুরোটাই উধাও।

চুরি রোধে স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করার পরামর্শ নগর বিশেষজ্ঞদের। যদিও, কর্তৃপক্ষ বলছে, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয় বরং মানুষের মনস্তাত্বিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই কেবল চুরি ঠেকানো সম্ভব।

ফার্মগেট থেকে কারওয়ান বাজার মোড়, আধা কিলোমিটারেরও কম দূরত্বের এই সড়কে ৪৮টি বিন বসানো হয়। টিকে আছে মাত্র ৫টি। হদিস নেই ২৪টি ঢাকনার। আর পুরোপুরি গায়েব হয়ে গেছে ১৯টি বিন।

শুধু কারওয়ান বাজার-ফার্মগেট এলাকায় নয়, এমন চিত্র চোখে পড়বে দুই সিটির প্রায় সব এলাকায়। আসাদগেট থেকে টেকনিক্যাল মোড় পর্যন্ত ৯০টি বিনের ৪৮টির ঢাকনা নেই। আটটি জায়গায় বিনের টিকিটিও খুঁজে পাওয়া ভার। দিনরাত চব্বিশ ঘণ্টা পুলিশি পাহারা থাকলেও খামারবাড়ি মোড়ের বিনগুলোরও একই পরিণতি।

অন্যদিকে, যে’কটি বিন এখনো টিকে আছে, সেগুলোরও নেই যথাযথ ব্যবহার।

নগর পরিকল্পনাবিদরা মনে করেন, ডাস্টবিন ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণে স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করা না গেলে ভেস্তে যাবে আসল উদ্দেশ্য। অবশ্য এজন্য কিছুটা সময় চাইলেন দুই নগরপিতা। সেই সাথে জোর দিলেন, নগরবাসীর মানসিকতা বদলের ওপর। দুই মেয়র মনে করেন, সবার সম্মিলিত প্রয়াস ছাড়া একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হতে পারবে না মেগাসিটি ঢাকা।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি