সোমবার,৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  • প্রচ্ছদ » খেলা » চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে কোহলির বিরুদ্ধে স্লেজিংয়ের অভিযোগ


চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে কোহলির বিরুদ্ধে স্লেজিংয়ের অভিযোগ


পূর্বাশা বিডি ২৪.কম :
১০.০৭.২০১৭

পূর্বাশা ডেস্ক:

পাকিস্তান থেকে যখন লন্ডনে উড়ে এসেছিলেন, তখনও ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে সেভাবে পরিচিত ছিলেন না তিনি। তবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দুর্দান্ত পারফর্ম করে রাতারাতি তারকা ক্রিকেটার হয়ে উঠেন ফখর জামান। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালের সেই নায়ক এবার ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি এবং পেসার জশপ্রীত বুমরাহর বিরুদ্ধে স্লেজিংয়ের অভিযোগ তুললেন।

ফাইনালে অনবদ্য এক সেঞ্চুরি করে পাকিস্তানকে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা এনে দেন ফখর জামান। শুধু ফাইনালই নয়, আইসিসির অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ওই টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কা এবং সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেও হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন এই তরুণ পাকিস্তানি ক্রিকেটার। সেই ফখর জানাচ্ছেন, টুর্নামেন্টের ফাইনালের দিন ব্যাটিংয়ের সময় তার আত্মবিশ্বাস টলিয়ে দেওয়ার জন্য কোহলি ও জসপ্রীত লাগাতার কিছু না কিছু বলে চলেছিলেন।

ফাইনালে ১০৬ বলে ১১৪ রানের চোখ ধাঁধানো ইনিংস খেলা ফখর জামানের ভাষ্যমতে, ‘তখন আমি আর আজহার আলি ক্রিজে ব্যাটিং করছি। কোহলি হিন্দিতে বলছেন, ‘আরে একটা উইকেট তুলে নিতে পারলেই, পরপর উইকেট পড়তে শুরু করবে। এই উইকেটটা তুলতে হবে।’

যদিও ব্যক্তিগত তিন রানেই বুমরাহর বলে আউট হয়ে যান পাকিস্তানি এই ওপেনার। কোহলি-যুবরাজদের উদযাপনও শুরু হয়ে যায়। কিন্তু সেই আনন্দে জল ঢেলে দেন আম্পায়ার। জানিয়ে দেন, বুমরাহর ডেলিভারি নো বল ছিল। জীবন পেয়ে যান ফাখার। আবার নয়া উদ্যমে তাকে সাজঘরে ফেরানোর প্রয়াস শুরু করেন ভারতীয় বোলাররা। কিন্তু সুইং বা স্পিন, কিছুই ফখরের দাপুটে ব্যাটিং রুখতে পারেনি সেদিন।

নো বলে জীবন ফিরে পাওয়ার পরই কোহলিরা ফের স্লেজিং শুরু করেন বলে তোপ দেগেছেন বাঁ-হাতি ওপেনার ফখর। তার অভিযোগ, নট আউট সিদ্ধান্তে আবারও ব্যাটিং করার সময় কোহলি বলেছিলেন, ‘এভাবে কতক্ষণ আর বাঁচা যাবে, উইকেটের সামনের দিকেও রান কর ভাই।’

ভারতীয় ক্রিকেটাররা স্লেজিং করলেও, তারা মাত্রা ছাড়িয়ে যাননি বলেই জানিয়েছেন ফকর। তার বক্তব্য, ক্রিকেটবিষয়ক কথাই বলছিলেন বিরাট, বুমরাহরা। তারাও জেতার চেষ্টাই করছিলেন। সেই কারণেই বিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের উপর চাপ সৃষ্টি করতে চাইছিলেন। ফখরের ভাষায়, ‘তারা কোনো খারাপ ভাষা ব্যবহার করেননি। স্লেজিংয়ের সীমাও ছাড়াননি। খেলার সময় এসব হয়েই থাকে। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে প্রতিটি দলই চায় বিপক্ষকে চাপে ফেলে দিতে। সেটাই স্বাভাবিক। ’

অতীতে পাকিস্তানের তারকা অলরাউন্ডার শহিদ আফ্রিদি ও ভারতীয় ব্যাটসম্যান গৌতম গম্ভীর যেভাবে একে অপরের সঙ্গে মাঠে বচসায় জড়িয়ে পড়েছিলেন, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির হাইভোল্টেজ ফাইনালে অবশ্য তেমন কিছুই হয়নি।

পূর্বাশানিউজ/১০ জুলাই ২০১৭/রুমকী



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি