রবিবার,৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ


কুমিল্লা দেবিদ্বারে ফরিদা ইয়াসমিন হত্যায় মামলা, পাওয়া গেছে পা-মাথা


পূর্বাশা বিডি ২৪.কম :
০৯.০৮.২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার দেবিদ্বারে ফরিদা ইয়াসমিন নামের এক বাড়ির মালিককে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় চারজনকে আসামি করা হয়েছে। শনিবার রাতে নিহতের স্বামী মো. মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া বাদী হয়ে দেবিদ্বার থানায় মামলা করেন।

রবিবার (৯ আগস্ট) বিকেলে একটি ডোবা থেকে ফরিদা ইয়াসমিনের মাথা ও দুই পায়ের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে সকালে একটি ড্রামের ভেতর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় দুটি পলিথিন ব্যাগে দেহের আরো কিছু খণ্ড উদ্ধার করে স্থানীয় বাসিন্দারা।

মামলার আসামিরা হলেন, দেবিদ্বার পৌর এলাকার চাপানগর গ্রামের মো. আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী লাইলী আক্তার, পৌর এলাকার চাপানগর গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে মো. আমির হোসেন একই গ্রামের মৃত ফারুক মিয়ার ছেলে মো. সোহেল রানা, মৃত লিলু মিয়ার ছেলে মো. রবিউল ইসলাম।

মামলার ১ নম্বর আসামি লাইলী আক্তারকে বিক্ষুব্ধ জনতা শনিবার সন্ধ্যায় আটক করে থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে লাইলী। রবিবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দেবিদ্বার থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, রবিবার সকালে নিহত ফরিদা ইয়াসমিনের মরদেহের আরো কিছু অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। বিকেলে মাথা ওপায়ের অংশ উদ্ধার করা হয়।

ওসি আরো জানায়, এ ঘটনায় নিহতের স্বামী মো. মফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। মামলার প্রধান আসামি লাইলীকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দেবিদ্বার-ব্রাহ্মণপাড়া (সার্কেল) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. শাহীন জানান, লাইলী আক্তার ২০২১ সালে শিশু ফাহিমা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সে কয়েক মাস আগে কারাগার থেকে জামিনে ছাড়া পায়। এরপর বিভিন্ন জায়গা বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। প্রায় ১২ দিন আগে এই বাসায় ভাড়ায় ওঠেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ির মালিকের স্বর্ণালংকারের লোভে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো কয়েকজনের নাম পেয়েছি, তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি