শনিবার,২৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ


আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দেবে জয়: আশরাফ


পূর্বাশা বিডি ২৪.কম :
২২.১০.২০১৬

252460_1

ডেস্ক রিপোর্টঃ

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসবেন বলে জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। বলেন, কেবল জয় নয়, নেতৃত্বে আসবেন তার বন্ধুরাও।

ক্ষমতাসীন দলের জাতীয় সম্মেলনের প্রথম দিন দ্বিতীয় অধিবেশনে দেয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন আশরাফ। এই অধিবেশনে বক্তব্য দেয়া কাউন্সিলরদের বেশিরভাই প্রধানমন্ত্রী তনয়কে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির দাবি জানান।

আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে প্রথমবারের মতো এবার রংপুরের কাউন্সিলর হিসেবে যোগ দিয়েছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি এবার দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পেতে যাচ্ছেন-এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে আগে থেকেই নানা প্রতিবেদন প্রকাশ হচ্ছিল। সম্মেলন অধিবেশনে কাউন্সিলরদের দাবির পর আশরাফের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে এই সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হলো।

সকালে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাধারণ সম্পাদকের সাংগঠনিক প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর বক্তব্য রাখেন বিদেশি অতিথিরা। এরপর সভাপতি শেখ হাসিনার বক্তব্যের পর মধ্যাহ্নভোজের বিরতি শুরু হয়।

বিরতি শেষে দ্বিতীয় অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলররা। তারা বিভিন্ন দাবি উত্থাপনের পাশাপাশি জয়কে নেতৃত্বে আনতে দাবি জানান। এ সময় জয়ও উপস্থিত ছিলেন সেখানে।

এরপর বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ। বলেন, ‘জয় তুমি দাঁড়াও। তোমাকে কাউন্সিলররা দেখতে চায়। আগামী দিনের বাংলাদেশে তোমাকেই নেতৃত্ব দিতে হবে। ধারাবাহিকতায় দেশ পরিচালনার দায়িত্ব তোমাকে নিতে হবে। আমরা এক সময় চলে যাব।’

আশরাফ বলেন, ‘জয়কে বাংলাদেশে উন্নয়নের নেতৃত্ব দিতে হবে। জয় ও জয়ের বন্ধুরা আওয়ামী লীগে নেতৃত্বে আসবে। আমাদের বয়স হয়ে গেছে, তরুণরাই আগামীতে দল ও দেশের নেতৃত্ব দেবে।’

দিনের শেষ বেলায় আবার বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে দলের পরিকল্পনা লিখিতভাবে দেয়া হবে কাউন্সিলরদেরকে। তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে সব খবর তিনি চান। নেতা-কর্মীরা যে খবর দেবে সেই অনুযায়ীই সরকার দেশ চালাবে।

রবিবার সকাল সাড়ে নয়টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে হবে দ্বিতীয় অধিবেশন। এই অধিবেশনেই আগামী তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হবে নতুন কমিটি। সারা দেশ থেকে আসা ছয় হাজার ৫৭০ জন কাউন্সিলর ভোটের মধ্যে পছন্দ করবেন তাদের প্রার্থী।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি