মঙ্গলবার,১১ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ


গাজায় অনাহারে অন্তত ১০ লাখ নারী ও কিশোরী: জাতিসংঘ


পূর্বাশা বিডি ২৪.কম :
১৭.০৮.২০২৫

গাজায় অনাহারে অন্তত ১০ লাখ নারী ও কিশোরী: জাতিসংঘ

গাজায় অনাহারে অন্তত ১০ লাখ নারী ও কিশোরী: জাতিসংঘ

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ইসরায়েলের অব্যাহত অবরোধ ও হামলার ফলে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় অন্তত ১০ লাখ নারী ও কিশোরী ভয়াবহ অনাহারের মুখে পড়েছেন।

শনিবার (১৬ আগস্ট) জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়। খবর আনাদোলুর।

ইউএনআরডব্লিউএ জানায়, গাজার নারীরা এখন গণঅনাহার, সহিংসতা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। বেঁচে থাকার জন্য তাদের এমন সব ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে, যেখানে খাবার ও পানি সংগ্রহের পথে ইসরায়েলি হামলা বা গুলিতে নিহত হওয়ার শঙ্কা সবচেয়ে বেশি।

সংস্থাটি অবরুদ্ধ গাজা থেকে অবরোধ প্রত্যাহার এবং দ্রুত ও ব্যাপক আকারে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছে।

আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা বর্তমানে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞের সঙ্গে যোগ হয়েছে মারাত্মক দুর্ভিক্ষ। চলতি বছরের ২ মার্চ থেকে ইসরায়েল গাজার সব সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে সীমান্তে আটকে আছে হাজারো ত্রাণবাহী ট্রাক, যা প্রবেশ করতে পারছে না। সীমিত যে সরবরাহ ঢুকছে, তা লাখো ক্ষুধার্ত মানুষের চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।

এর আগে আগস্টের শুরুতে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) সতর্ক করেছিল, গাজার প্রায় ২৪ লাখ মানুষের মধ্যে অন্তত এক-তৃতীয়াংশ কয়েকদিন ধরে কোনো খাবার পাচ্ছে না।

২০২৩ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ৬১ হাজার ৯০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। পুরো গাজা আজ ধ্বংসস্তূপে পরিণত, আর জনগণ ঠেলে দেওয়া হয়েছে দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে।

এদিকে, গত নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গালান্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

অন্যদিকে, গণহত্যার অভিযোগে ইসরায়েল বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) বিচারের মুখোমুখি।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি